BIGtheme.net http://bigtheme.net/ecommerce/opencart OpenCart Templates
সর্বশেষ
Home / সারাদেশ / খুলনা / অগ্নিসংযোগ নিয়ে রহস্য

অগ্নিসংযোগ নিয়ে রহস্য

9মন্দির ও বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ নিয়ে দু’গ্রুপে বিভক্ত নাসিরনগরের হিন্দু সম্প্রদায়। এ বিভক্তি প্রকাশ্য। এমনকি দাবি (হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি) এক হলেও দু’গ্রুপ মানববন্ধনসহ অন্য কর্মসূচি পালন করছে আলাদাভাবে। একের কর্মসূচিতে পা-মাড়ান না অন্যরা।

অভিযোগ রয়েছে, এক গ্রুপে কলকাঠি নাড়ছেন এলাকার সংসদ সদস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অ্যাডভোকেট ছায়েদুল হক। আরেক গ্রুপকে সমর্থন দিচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৩ আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

তবে আইনশৃংখলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের মধ্যেই দু’দিনে ৬ বাড়িতে আগুন দেয়া নিয়ে দ্বন্দ্বে রয়েছেন স্থানীয়রা। শুক্রবার ভোরে ৫ বাড়িতে এবং শনিবার সন্ধ্যায় এক বাড়িতে আগুন দেয়া হয়। স্থানীয়দের অধিকাংশই এ আগুনে এমনকি আগের ঘটনাবলীতেও রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন।

এদিকে নাসিরনগরের আলোচিত সেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহমেদকে রোববার প্রত্যাহার করা হয়েছে। দুপুরের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাকে প্রত্যাহারের আদেশ দেয়া হয়। ঠিক ওই সময়ই নাসিরনগর আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক ইউএনওর প্রশংসা করে বক্তব্য দিচ্ছিলেন।

এ নিয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক যুগান্তরকে বলেন, নাসিরনগরের ইউএনওকে প্রত্যাহার নয়, তাকে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।

প্রত্যাহার হওয়া এ নির্বাহী কর্মকর্তা ২৯ অক্টোবর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সংগঠন হেফাজতে ইসলাম ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতকে নাসিরনগর সদরে প্রতিবাদ সভা করার অনুমতি দেন। শুধু তাই নয়, তিনি ওই দুটি সভায় বক্তব্যও দেন।

অভিযোগ রয়েছে, এ দুটি সভার অনুমতি দেয়া না হলে নাসিরনগরের হিন্দুদের বাড়িঘর ও উপাসনালয়ে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটত না। কিন্তু শুরু থেকেই ইউএনওর পক্ষে অবস্থান নেন মন্ত্রী ছায়েদুল হক। যে কারণে ওসি প্রত্যাহার হলেও বর্তে যান ইউএনও।

রোববার সংবাদ সম্মেলনে ইউএনওর পক্ষ নেয়ায় সাংবাদিকদের তোপের মুখেও পড়েন মন্ত্রী। মন্ত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, ইউএনও প্রতিবাদ সভার অনুমতি দেননি। সাংবাদিকরা ইউএনওর অনুমতির বিষয়ে প্রমাণ দিলে ছায়েদুল হক উত্তেজিত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে সংবাদ সম্মেলনে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘এই ইউএনওকে ডেকে নিয়ে আয়।’ পরে অবশ্য ইউএনওকে নিয়ে আসতে কেউ এগিয়ে যাননি।

এদিকে শনিবার রাতে আরও ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এ ঘটনায় গ্রেফতারের সংখ্যা ঠেকল ৫৩-তে।

আগুন নিয়ে রহস্য : একজন ইউপি সদস্য নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে রোববার যুগান্তরকে বলেন, ‘সদর ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়ায় সাগর দাসের একটি পরিত্যক্ত মন্দিরে শুক্রবার ভোরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আমি ওই বাড়ির পাশেই একটি নতুন বাড়ি নির্মাণ করছি। ওই সময় আমিসহ মুসলিম পরিবারের কয়েকজন সদস্য আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু এ সময় কয়েকজন যুবক আগুন নেভানোর চেষ্টা না করে সেটির ভিডিও করছিলেন।

এ সময় তাদের বলতে শোনা যায়, ‘ছায়েদ্দা (মন্ত্রী ছায়েদুল হক) মানববন্ধন করতে দিবা না, এইবার ঠেলা সামলাও।’ তাদের এই উক্তির বিষয়টি মন্ত্রীকে পরদিন তিনি জানিয়েছিলেন উল্লেখ করে বলেন, মন্ত্রী কিন্তু উল্টো আমাকে ধমক দিয়ে বলেছিলেন তুই কি দেখছত কেডায় আগুন দিছে? হেরায় যা ইচ্ছা বলুগগা।’

এ ইউপি সদস্য আরও বলেন, সেদিন মন্দিরে রাখা কয়েকটি জালও পুড়েছে। কিন্তু এ নিয়ে কাউকে কোনো আহাজারিও করতে শোনা যায়নি। তিনি বলেন, মানুষের বাড়িতে আগুন লাগলে চিল্লাচিল্লি করা হয়, এই আগুন লাগছে রে- আগুন লাগছে, কে কোথায় আছ আগুন নিভাও। কিন্তু সেদিন আমি এরকম কোনো আহজারি শুনতে পাইনি।’

স্থানীয় আরেকজন যুগান্তরকে বলেন, ‘শুক্রবার ভোরে ডাক বাংলোর দক্ষিণ পাশে ঠাকুরবাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরে আগুন দেয়া হয়। ওই বাড়ির পাশেই ছিল ঠাকুর পরিবারের আবাসস্থল। কিন্তু আগুনের ঘটনা সম্পর্কে ওই বাড়িরও কেউ আহাজারি করেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেদিন যেক’টি বাড়িতে আগুনের ঘটনা ঘটে তার সবই ছিল রহস্যজনক। কিন্তু আগুন দেয়ার সময় যেহেতু কেউ দেখেনি তাই এ নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কোনো মন্তব্য করছে না। তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, এসব আগুনের ঘটনা খুবই রহস্যজনক।’ তিনি বলেন, ‘মন্ত্রীকে সমালোচনার মধ্যে ফেলতেই সুপরিকল্পিতভাবে হিন্দুদের উপাসনালয়ে আগুন দেয়া হয়েছে।’

হিন্দুদের দুটি গ্রুপ : মন্ত্রী ছায়েদুল হক বৃহস্পতিবার রাতে ডাক বাংলোয় ডেকে পাঠান হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের। সেখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা যাননি। ওই বৈঠকে শুক্রবারের মানববন্ধন প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছিলেন মন্ত্রী। তা উপেক্ষা করে মানববন্ধন করে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

শুধু তাই নয়, সংগঠনের নাসিরনগর উপজেলা সভাপতি আদেশ চন্দ্র দেব থানায় স্বয়ং মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগও দেন। সেখানে মন্ত্রীসহ দলের প্রভাবশালী নেতাদের বিরুদ্ধে হুমকি ও প্রাণনাশের অভিযোগ আনা হয়।

তবে শুক্রবার পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী কেউ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন না। রোববার উপজেলা পরিষদের সামনে আয়োজিত মন্ত্রীর আদেশ পালনকারী পূজা উদযাপন কমিটিসহ বিভিন্ন ব্যানারে শত শত বিক্ষুব্ধ হিন্দু ধর্মাবলম্বী লোকজন অংশ নেন। আবার সেখানে যোগ দেননি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রথম সারির নেতারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রোববার হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নাসিরনগর উপজেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট রাকেশ যুগান্তরকে বলেন, ঐক্য পরিষদ শুক্রবার সারা দেশে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করে। ওইদিন স্থানীয়ভাবে ওই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। কিন্তু মন্ত্রী ছায়েদুল হক ওই কর্মসূচি পালন না করতে হিন্দু নেতাদের নির্দেশ দেন এবং বিভিন্ন গ্রামে ফোন করে প্রভাব বিস্তার করা হয়।

আরও পড়ুন:   ধর্ষণের শিকার শিশুর অবস্থা সংকটাপন্ন

তিনি বলেন, সেদিন মন্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, রোববার মানববন্ধন করা হবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে সেদিন নাসিরনগরে মানববন্ধন করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মন্ত্রীর কথা অনুযায়ী কিছু লোক রোববার মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

একই সংগঠনের আরেকজন নেতা বলেন, ‘মন্ত্রী এলাকায় থাকায় হিন্দু সংগঠনের নেতারা আলাদাভাবে আন্দোলন করছেন। মন্ত্রী এখান থেকে চলে গেলে সবাই আবার এক হয়ে যাবেন।’

রোববার অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নাসিরনগর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি অঞ্জন কুমার দেব। এ সময় তিনি বলেন, আমরা চরম আতংকের মধ্যে আছি। ভয়ে আছে এলাকার মানুষ। পুলিশের ডিআইজি, এসপি, ডিসির উপস্থিতিতে কীভাবে বাড়িতে আগুন দেয়া হয়, সেটা আমার বোধগম্য নয়।

পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হরিপদ পোদ্দার বলেন, আমরা খুব নিরাপদে আছি, এটা বলা যাবে না। সভায় বক্তারা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সভায় অন্যদের মধ্যে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাজল দত্ত, ব্যবসায়ী নেতা সমীর ঘোষ, গৌর মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাস বক্তব্য দেন।

ওই মানববন্ধন শেষে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা মন্ত্রীর পক্ষে সাফাই গেয়ে সংবাদ সম্মেলনও করেন। এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অঞ্জন কুমার দেব।

এ সময় তিনি বলেন, ১৯৬৮ সালে ছায়েদুল হক নাসিরনগরে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর থেকেই তিনি এখানকার একমাত্র নেতা। তিনি কোনোদিন হিন্দু সম্প্রদায়কে নিয়ে গালি কিংবা কটূক্তি করে কথা বলেননি। তার ইমেজ ও সততা এবং জনপ্রিয়তা নষ্ট করার জন্য ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হচ্ছে।

এদিকে কোনো গ্রুপকে সমর্থন দেয়ার অভিযোগ পুরোদস্তুর অস্বীকার করেছেন র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। রোববার সন্ধায় তিনি যুগান্তরকে বলেন, গোপনে নেতৃত্ব দেয়ার প্রশ্নই আসে না। হিন্দু বৌদ্ধ মুসলিম নামে আমার কাছে কোনো ধর্মীয় গ্রুপ নেই। আমি মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখি।

আরও ৯ জন গ্রেফতার : হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নারকীয় তাণ্ডবের ঘটনায় বিশেষ গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। শনিবার রাতভর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এরা হচ্ছে নূরপুর গ্রামের রেনু ভূইয়ার ছেলে জিল্লু ভূইয়া (২৮), তাইজুদ্দিনের ছেলে মিজান (৩২), ইজহার উদ্দিনের ছেলে মনির (৪০), মঞ্জু মিয়ার ছেলে মুরছালিন (১৮), অহিদ মিয়ার ছেলে শেখ মো. পলাশ (৩৫), গনি মিয়া (৬০) এবং আশুরাইল ফুল মিয়ার ছেলে মিয়াজান (৪০), লালু মিয়ার ছেলে হারিছ মিয়া (৬০), ফারুক মিয়ার ছেলে আবদুর রহিম (২৫)। তাদেরকে রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।

নাসিরনগর থানার নতুন দায়িত্ব নেয়া ওসি আবু জাফর বলেন, গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে সব অপরাধীকে শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে।

রোববার সকালে নাসিরনগরের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও হিন্দুদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি সাখাওয়াত হোসেন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম।

কাদের সিদ্দিকীও চাইলেন বিচার বিভাগীয় তদন্ত : রোববার ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর, মন্দির পরিদর্শন করেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ও তার দলের নেতারা। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তারা উপজেলা সদর ও রসরাজের বাড়ি হরিপুর এলাকায় যান এবং মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় সরকার ও প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা রয়েছে। আমরা চাই সব ধর্মের মানুষ নিরাপদে বাংলাদেশে থাকুক।

তিনি বলেন, নাসিরনগরে হামলার ঘটনায় আমার কাছে সবচেয়ে বেশি মনে হয়েছে প্রশাসনিক দুর্বলতা। দেশে রাজনীতি না থাকলে, মানুষের সম্মান না থাকলে, প্রতিবাদের ক্ষমতা না থাকলে প্রশাসন অথর্ব হয়ে যায়। আমরা এর প্রতিকার চাই।

তিনি আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে এতো বন্ধুত্ব থাকলেও হিন্দু সম্প্রদায় এতো নির্যাতিত হবে কেন? হাজার বছর আগে আমাদের এমন সাম্প্রদায়িক কোনো রেষারেষি ছিল না। ব্রিটিশ সেটি করে দিয়ে গেছে আর পাকিস্তান লালন করেছে।

তিনি নাসিরনগরের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি ড. কামাল হোসেন, বি চৌধুরীর নেতৃত্বে বেসরকারি তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানান।

শান্তি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিলেন ডিআইজি : নাসিরনগরের ইউপি চেয়ারম্যানদের সঙোগ বৈঠক করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম।

শনিবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপজেলার ১২ জন চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

অতিরিক্ত ডিআইজি সাখাওয়াত হোসেন, জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সরকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ডিআইজি ইউপি চেয়ারম্যানদেরকে প্রতিটি ওয়ার্ডে ইউপি সদস্যদের নেতৃত্বে শান্তি কমিটি গঠন করে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি এলাকায় অপরিচিত কেউ ঢুকলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে খোঁজখবর নেয়ারও তাগিদ দেন।

Facebook Comments